Posts

Showing posts with the label ইতিহাস

ঐতিহ্যবাহী মেহেরপুর প্রেস ক্লাব-মেহেরপুর প্রেস ক্লাবের ইতিহাস

Image
মেহেরপুর প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৭ সালে। দৈনিক সংবাদের সাংবাদিক ইসলাম আলী, দৈনিক আজাদের আনছারুল হক, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস অব পাকিস্তানের (এপিপি) মোজাম্মেল হক এবং মৃণাল কান্তি ভট্টাচার্যসহ আরো কয়েকজন সাংবাদ িককে সংগে নিয়ে তৎকালীন মহকুমা প্রশাসনের আন্তরিক পৃষ্ঠপোষকতায় ক্লাব প্রতিষ্ঠা করা হয়। সে সময়ের মেহেরপুর মহকুমা প্রশাসক এ ওয়াই এম আর ওসমানীকে সভাপতি এবং ইসলাম আলীকে সাধারণ সম্পাদক করে মেহেরপুর প্রেসক্লাবের প্রথম কমিটি গঠন করা হয়। ১৯৭১ সাল পর্যন্ত এই নিয়মেই প্রেসক্লাব পরিচালিত হয়। এরপর ’৮০ সালের প্রথম দিক সাংবাদিকের সংখ্যা বাড়লেও শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে ওঠেনি। অবশ্য এর মধ্যে একজন মহকুমা প্রশাসক মোমেনুল হকের নাম উল্লেখ করতেই হয়। যিনি প্রেস ক্লাবের সহযোগিতায় নানাভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছিলেন। আশির দশকে অসংগঠিত সাংবাদিকদের সংগঠিত করা এবং প্রেসক্লাব পূনর্গঠনে এগিয়ে আসেন সাংবাদিক ইসলাম আলী, মৃণাল কান্তি ভট্টাচার্য, মুহাম্মদ রবীউল আল ম , সৈয়দ আমিনুল ইসলাম, রুহুল কুদ্দুস টিটো, আব্দুস সালাম খান, আব্দুর রশিদ মজুমদার, আব্দুল মান্নান, এসএম তোযাম্মেল আযম, সদরুল আ...

মেহেরপুর মিউনিসিপ্যালিটি

Image
meherpur,meherpur picture, meherpur sadar, অবিভক্ত বাংলায় মেহেরপুর একটি প্রাচীন জনপদ। গঙ্গা-পদ্মার-র শাখা, প্রমত্তা ভৈরব নদের পূর্ব তীরবর্তী এই জনপদের নাম করণের সাথে জড়িয়ে আছে নানা কিংবদন্তি। জগৎখ্যাত নানা মুনি-ঋষি, সাধক মহাপুরুষ আর সাধু-দরবেশের স্মৃতি বিজড়িত এই সুপ্রাচীন জনপদটি ১৮৬ ৯ সালে মিউনিসিপ্যালিটির মর্যাদা লাভ করে। দেশ বিভাগের পূর্ব হতেই মেহেরপুর মহকুমা শহর হিসেবে ইহার কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ১৯৭১ এর মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের সংগ্রামী ইতিহাসের সাথে বৈদ্যনাথতলা খ্যাত মুজিবনগরকে বুকে ধারন করে এই পৌরসভা স্বাধীনতার ইতিহাসের সাথে অঙ্গাঙ্গিক ভাবে জড়িত হয়। পরবর্তীতে ঐতিহাসিক মুজিবনগরের প্রবেশদ্বার হিসাবে পরিগনিত হয়। ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক এ পৌরসভা দ্বিতীয় শ্রেণীতে উন্নীত হয় এবং ২০০১ সালে প্রথম শ্রেণীর মর্যাদা লাভ করে।

হৃদয়ে মুজিবনগর-mujibnagar history, meherpur

Image
mujibnagar,meherpur, mujibnagar history, meherpur, mujibnagar picture হৃদয়ে মুজিবনগর মো: আব্দুল হাই বাঙালি জাতিসত্তার রাষ্ট্রীয় পরিচয়ের সূচনাভূমি মুজিবনগর। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক প্রতিরোধের প্রথম প্রহর মুজিবনগর। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের শপথ পাঠ হয়েছিল এখানেই। সর্বোপরি যুদ্ধকালীন বাংলাদেশের রাজধানী মুজিবনগর। তাই নিজের অস্তিত্বকে জানতে জন্মকালীন বাংলাদেশের ইতিহাসকে নতুন করে আবিস্কার করতে এবং আত্মপরিচয়ের সেই ইতিহাসকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে মুজিবনগর হতে পারে আমাদের সবার কাক্সিক্ষত গন্তব্য। সুপ্রিয় পাঠক আসুন জেনে নেওয়া যাক মুজিবনগর ভ্রমণের আদ্যোপ্রান্ত। অবস্থান: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জনপদ মুজিবনগর। পূর্ববর্তী প্রশাসনিক বিভাজন অনুযায়ী বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমায় অবস্থিত। বর্তমান প্রশাসনিক পরিচিতি অনুযায়ী মেহেরপুর জেলা, মুজিবনগর উপজেলা। উত্তরে মেহেরপুর সদর উপজেলা ও ভারত, দক্ষিণে মুজিবনগর উপজেলা ও ভারত, পূর্বে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলা এবং পশ্চিমে ভারতের অবস্থান। নামকরণ: মুজিবনগরের পূর্ববর্তী নাম ছিল বৈদ্যনাথতলা। ১৯৭...

মোহাম্মদ সহিউদ্দিনঃ বিশিষ্ট সংগঠক, সংসদ সদস্য, আওয়ামী লীগ নেতা ও সমাজসেবক মোহাম্মদ সহিউদ্দিন (১৯২৩-১৯৯০)

Image
মোহাম্মদ সহিউদ্দিনঃ বিশিষ্ট সংগঠক , সংসদ সদস্য , আওয়ামী লীগ নেতা ও সমাজসেবক মোহ াম্মদ সহিউদ্দিন ( ১৯২৩ - ১৯৯০ ) ঃ স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের বিশিষ্ট সংগঠক , সংসদ সদস্য , বিশিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতা ও সমাজসেবক। তিনি ১৯৭৫ সালে মেহেরপুর জেলার গভর্নর নিযুক্ত হন। বিভাগপূর্ব মেহেরপুরের তেহট্ট থানার বেতাইলাল গ্রামে তিনি ১৯২৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম ইয়াকুব হোসেন বিশ্বাস। দেশ বিভাগের পরপরই সহিউদ্দিন মেহেরপুরে এসে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন। আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই তিনি এই দলের সাথে জড়িত হন। তিনি ষাটের দশকে মেহেরপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং ছয় দফা আন্দোলনে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তিনি ১৯৭০ সালে মেহেরপুর থেকে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম সংগঠক হিসেবে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭৩ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচিত হন এবং ১৯৭৫ সালে মেহেরপুর জেলার গর্ভনর নিযুক্ত হন। তিনি ১৯৮৬ সালে পুনরায় জাতীয় সংসদ নির্বা...

মেহেরপুরের কৃতি সন্তান স্বামী নিগমানন্দ পরমহংস

Image
                                              মেহেরপুরের কৃতি সন্তান স্বামী নিগমানন্দ পরমহংস স্বামী নিগমানন্দ পরমহংস (১৮ আগষ্ট, ১৮৮০- ২৯ নভেম্বর, ১৯৩৫) বর্তমানে বাংলাদেশের মেহেরপুর জেলায় কুতুবপুর নামক ছোট গ্রামে এক বাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তিনি শ্রী শ্রী ঠাকুর নামেও পরিচিত। চৈত ন্য মহাপ্রভুও এই একই জেলায় জন্মগ্রহন করেছিলেন। সন্ন্যাস গ্রহণের পর তিনি পরমহংস শ্রীমদ স্বামী নিগমানন্দ সরস্বতী দেব নামে পরিচিত হন।

বলরাম হাড়ি এবং তাঁর জীবনদর্শন সুধীর চক্রবর্তী

Image
মেহেরপুরের মালোপাড়ার বলরাম হাড়ি এবং তাঁর জীবনদর্শন সুধীর চক্রবর্তী যেয়েও আছে থেকেও নাই / তেমনই তুমি আর আমি রে । বলরাম হাড়ি ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল উচ্চবর্ ণের পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর শোষনের বিরুদ্ধে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সনদ ঘোষনা করা হয়। সেই মেহেরপুরেরই এক নিম্নবর্গের শূদ্র পুরুষ তুমুল রুখে দাঁড়িয়েছিলেন উচ্চবর্ণের ব্রাহ্মণ্যবাদীদের শাসনশোষনের বিরুদ্ধে। সময়টা উনিশ শতক। আজকের মেহেরপুর জেলাটি ছিল তৎকালীন অবিভক্ত ভারতের নদীয়া জেলায়। মেহেরপুর জেলার বুক চিরে বইছে ভৈরব নদী। জেলা সদরটি ছোট। পশ্চিমদিকের মালোপাড়া। সেখানে কয়েক ঘর অন্ত্যজ শ্রেণির বাস। তারা অধিকাংশই জাতে হাড়ি। হাড়িদের পেশা ছিল শুয়োর চরানো , কবিরাজী ওষুধ বিক্রি , লাঠিয়ালগিরি কিংবা দারোয়ানী। ১৮২৫ খ্রিষ্টাব্দ। মালোপাড়ায় গোবিন্দ হাড়ি এবং গৌরমণির ঘরে জন্মালেন এক শিশু ; যে শিশুটি কালক্রমে বাংলার লোকধর্মের অন্যতম পুরোধা হয়ে উঠেছিল। শিশুর নাম রাখা হয় বলরাম হাড়ি। জন্মসূত্রে অন্ত্যজ বলেই আজন্ম ব্রাহ্মণ্য শোষন দেখেছে। তাই তাঁর স্পর্শকাতর মনে জন্ম নিয়েছিল প্রচন্ড ব্রাহ্মণ ...

মুন্সী শেখ জমিরউদ্দীন

Image
মুন্সী শেখ জমিরউদ্দীন (১৮৭০-১৯৩৭) ধর্ম প্রচারক, লেখক ও সমাজসেবক। জন্ম গাঁড়াডোব গ্রাম, মেহেরপুর ১৫ মাঘ, ১২৭৭ (১৮৭০)। নিষ্ঠাবান মুসলিম পরিবারে জন্ম। বাল্যকালে নামাজ-রোজা ইত্যাদি ইসলামিক বিধিবিধান নিয়মিতভাবে পালন। কৃষ্ণনগর নার্মাল স্কৃলে পাঠকালে খ্রিস্টান মিশনারিদের সংস্পর্শে এসে ১৮৮৭-তে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ। নর্মাল পাঠসমাপ্ত করে খ্রিস্টান পাদ্রিদের সহায়তায় ১৮৯১-তে এলাহাবাদ সেন্ট পলস ডিভিনিটি কলেজে ভর্তি। এ কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে হায়ার গ্রেড অব থিয়লজি ডিগ্রি লাভ (১৮৯৩)। কলকাতা ক্যাথিড্রাল মিশন ডিভিনিটি কলেজে কিছুকাল অধ্যয়ন। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের খ্রিস্টধর্ম তত্ত্ব এবং সংস্কৃত, আরবি, গ্রিক, হিব্র“ ভাষা ও সাহিত্য শিক্ষা গ্রহণ। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা শেষ করে খ্রিস্টধর্ম প্রচারে আত্মনিয়োগ। কিছুকাল পরে বাইবেলের অকৃত্রিমতা সম্বন্ধে মনে সংশয় দেখা দেয়ার খ্রিস্টধর্ম ত্যাগ করে আবার ইসলাম ধর্মে দীক্ষা গ্রহণ। এরপর স্বীয় গ্রামের স্কুলে শিক্ষকতার কর্মে যোগদান। কিছুকাল পর এ কর্ম ত্যাগ করে মুুন্সী মেহেরুল্লাহর সহচর হিসেবে ইসলাম ধর্ম প্রচারে মনোনিবেশ। খ্রিস্টান মি...

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান সংগঠক ডঃ তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধূরী বীর বিক্রম

Image
ডঃ তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধূরী বীর বিক্রম মেহেরপুরে মহকুমা প্রশাসক হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন ডঃ তৌফিক মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান সংগঠক ছিলেন।১৯৭১ সালে কুষ্টিয়ার মেহেরপুরে মহকুমা প্রশাসক হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন । ১৭ই এপ্রিল, ১৯৭১ এ বাংলাদেশের প্রথম সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান সংগঠক ছিলেন। তাঁর বীরত্বের জন্য তিনি বীর বিক্রম উপাধিতে ভূষিত হন । সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার কৃতি সন্তান ডঃ তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধূরী, বীর বিক্রম ১৯৪৫ সালে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিষয়ে অধ্যয়ন শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতির প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৬৮ সালে তিনি সিভিল সার্ভিস অব পাকিস্তানে যোগদান করেন। স্বাধীনতাত্তোর তিনি সিভিল সার্ভিসে প্রত্যাবর্তন করেন এবং গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। অতঃপর তিনি উচ্চশিক্ষার্থে যুক্তরাজ্য গমন করেন।এবং হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয় হতে ১৯৮৩ সালে পি.এইচ.ডি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয়,বিদ্যুৎ,জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়,পরিকল্পনা ...

মেহেরপুরের বধ্যভূমি

Image
মেহেরপুর সকারী কলেজ মাঠ বধ্যভূমি স্বাধীনতা যুদ্ধকালে গোটা মেহেরপুর ছিল  পাক বাহিনীর নির্যাতন এর কেন্দ্র। স্থানীয় সরকারী কলেজ মাঠ ছিল এ খান কার সব চেয়ে বড় বধ্যভূমি ।এখানে পাকবাহিনীর অধিকাংশ স্বাধীনতা কর্মীদের ধরে এনে হত্যা করত। কলেজ মাঠের  মাঝ খানে একটি বিশাল আম বাগান এর ডালে মুক্তি যোদ্ধাদের প্রথমে পা বেঁধে টাংগানো হতো। এখানে অমানুষিক নির্যাতন  শেষে কলেজ এর একটি বদ্ধ ঘরে বন্দি রেখে এক  হত্যা করা হতো। শাধিনতার পর এই বধ্যভূমি তে মানুস এর মাথার খুলি , হার গড়, মাথার চুল  পওয়া যায় । মেহেরপুর  জেলা প্রশাসন কাযালয় বধ্যভূমি মেহেরপুর  জেলা প্রশাসন কাযালয়  চত্বর ছিল পাক বাহিনীর নির্যাতন কেন্দ্র ও বধ্যভূমি।এই  বধ্যভূমি তে মেহেরপুর সদর উপজেলার  বুড়িপোতা  ইছাখালি ও গোভীপুর গ্রামের মুক্তি যোদ্ধা দের হত্যা করে পুতে রাখা হয়। যুদ্ধ শেষে এখান থেকে বহু নরকঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। ওয়াপদা মোড় বধ্যভূমি মেহেরপুর  ওয়াপদা মোড় ছিল পাক বাহিনীর অন্যতম বধ্যভূমি । শহর এর বিভিন্ন এলাকা  থেকে লকজন ধরে এনে এই বধ্যভূমি হত্...

মেহেরপুর এর জীবন্ত কিংবদন্তী---- মরহুম আহম্মদ আলী ।

Image
জাতীয়তাবাদী সংগ্রাম ও স্বদেশ স্বাধীনতার বীর যোদ্ধা,ভাষা সংগঠক, গণমানুষের প্রিয় নেতা সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম আহম্মদ আলী । ………আহম্মদ আলী (১৯৩৫-১৯৯৯) ঃ বিশিষ্ট রাজনীতিক ও সমাজ সেবক। এদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটি সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) মরহুম আহম্মদ আলী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি মেহেরপুর-১ আসন থেকে ৩ বার এমপি নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৩৫ সালের ১৪ই এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন। পিতার নাম মরহুম তমিজউদ্দিন আহমেদ। দেশ বিভাগের পর তিনি মেহেরপুরের কাঁসারীপাড়ায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। তিনি ছাত্র জীবন থেকে রাজনীতি শুরু করেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। ১৯৫৪ সালে ভাসানী-সোহরাওয়ার্দী’র নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে চট্টগ্রামে ছাত্র-কর্মী শিবিবের আহবায়ক ছিলেন। ১৯৫৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের যুগ্ম আহবায়ক নির্বাচিত হন। এই বছরই তিনি বি.এ পাশ করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এম.এ শেষ বর্ষে অধ্যয়নকালে মওলানা ভাসানীর ‘ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি’তে যোগদান করেন এবং সফলতার সাথে এম.এ ডিগ্রী ...