Posts

Showing posts with the label স্থাপনা

বাংলাদেশ প্রাক্তন সৈনিক সংস্থা- গাংনি উপজেলা শাখা অফিস

Image
বাংলাদেশ প্রাক্তন সৈনিক সংস্থা-  গাংনি উপজেলা শাখা অফিস এখন অবহেলার কারনে দিনে দিনে শেষ হইয়ে যাচ্ছে। অফিসের নাই কোন ব্যাবহার এমন কি পরিস্কার ও করা হয়না। অফিসটি আবার কার্যকরী করে তোলার জন্য কতৃপক্ষকে যথাযত বেবস্থা নেওয়ার অনুরধ জানাচ্ছি। ছবি তুলেচেনঃ- তানভিরুল ইসলাম   from:  https://www.facebook.com/photo.php?fbid=1426636217551026&set=a.1412973818917266.1073741828.1412940008920647&type=1&theater

ঐতিহ্যবাহী মেহেরপুর প্রেস ক্লাব-মেহেরপুর প্রেস ক্লাবের ইতিহাস

Image
মেহেরপুর প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৭ সালে। দৈনিক সংবাদের সাংবাদিক ইসলাম আলী, দৈনিক আজাদের আনছারুল হক, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস অব পাকিস্তানের (এপিপি) মোজাম্মেল হক এবং মৃণাল কান্তি ভট্টাচার্যসহ আরো কয়েকজন সাংবাদ িককে সংগে নিয়ে তৎকালীন মহকুমা প্রশাসনের আন্তরিক পৃষ্ঠপোষকতায় ক্লাব প্রতিষ্ঠা করা হয়। সে সময়ের মেহেরপুর মহকুমা প্রশাসক এ ওয়াই এম আর ওসমানীকে সভাপতি এবং ইসলাম আলীকে সাধারণ সম্পাদক করে মেহেরপুর প্রেসক্লাবের প্রথম কমিটি গঠন করা হয়। ১৯৭১ সাল পর্যন্ত এই নিয়মেই প্রেসক্লাব পরিচালিত হয়। এরপর ’৮০ সালের প্রথম দিক সাংবাদিকের সংখ্যা বাড়লেও শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে ওঠেনি। অবশ্য এর মধ্যে একজন মহকুমা প্রশাসক মোমেনুল হকের নাম উল্লেখ করতেই হয়। যিনি প্রেস ক্লাবের সহযোগিতায় নানাভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছিলেন। আশির দশকে অসংগঠিত সাংবাদিকদের সংগঠিত করা এবং প্রেসক্লাব পূনর্গঠনে এগিয়ে আসেন সাংবাদিক ইসলাম আলী, মৃণাল কান্তি ভট্টাচার্য, মুহাম্মদ রবীউল আল ম , সৈয়দ আমিনুল ইসলাম, রুহুল কুদ্দুস টিটো, আব্দুস সালাম খান, আব্দুর রশিদ মজুমদার, আব্দুল মান্নান, এসএম তোযাম্মেল আযম, সদরুল আ...

মেহেরপুর মিউনিসিপ্যালিটি

Image
meherpur,meherpur picture, meherpur sadar, অবিভক্ত বাংলায় মেহেরপুর একটি প্রাচীন জনপদ। গঙ্গা-পদ্মার-র শাখা, প্রমত্তা ভৈরব নদের পূর্ব তীরবর্তী এই জনপদের নাম করণের সাথে জড়িয়ে আছে নানা কিংবদন্তি। জগৎখ্যাত নানা মুনি-ঋষি, সাধক মহাপুরুষ আর সাধু-দরবেশের স্মৃতি বিজড়িত এই সুপ্রাচীন জনপদটি ১৮৬ ৯ সালে মিউনিসিপ্যালিটির মর্যাদা লাভ করে। দেশ বিভাগের পূর্ব হতেই মেহেরপুর মহকুমা শহর হিসেবে ইহার কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ১৯৭১ এর মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে বাংলাদেশের অভ্যূদয়ের সংগ্রামী ইতিহাসের সাথে বৈদ্যনাথতলা খ্যাত মুজিবনগরকে বুকে ধারন করে এই পৌরসভা স্বাধীনতার ইতিহাসের সাথে অঙ্গাঙ্গিক ভাবে জড়িত হয়। পরবর্তীতে ঐতিহাসিক মুজিবনগরের প্রবেশদ্বার হিসাবে পরিগনিত হয়। ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক এ পৌরসভা দ্বিতীয় শ্রেণীতে উন্নীত হয় এবং ২০০১ সালে প্রথম শ্রেণীর মর্যাদা লাভ করে।

হৃদয়ে মুজিবনগর-mujibnagar history, meherpur

Image
mujibnagar,meherpur, mujibnagar history, meherpur, mujibnagar picture হৃদয়ে মুজিবনগর মো: আব্দুল হাই বাঙালি জাতিসত্তার রাষ্ট্রীয় পরিচয়ের সূচনাভূমি মুজিবনগর। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক প্রতিরোধের প্রথম প্রহর মুজিবনগর। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের শপথ পাঠ হয়েছিল এখানেই। সর্বোপরি যুদ্ধকালীন বাংলাদেশের রাজধানী মুজিবনগর। তাই নিজের অস্তিত্বকে জানতে জন্মকালীন বাংলাদেশের ইতিহাসকে নতুন করে আবিস্কার করতে এবং আত্মপরিচয়ের সেই ইতিহাসকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে মুজিবনগর হতে পারে আমাদের সবার কাক্সিক্ষত গন্তব্য। সুপ্রিয় পাঠক আসুন জেনে নেওয়া যাক মুজিবনগর ভ্রমণের আদ্যোপ্রান্ত। অবস্থান: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জনপদ মুজিবনগর। পূর্ববর্তী প্রশাসনিক বিভাজন অনুযায়ী বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমায় অবস্থিত। বর্তমান প্রশাসনিক পরিচিতি অনুযায়ী মেহেরপুর জেলা, মুজিবনগর উপজেলা। উত্তরে মেহেরপুর সদর উপজেলা ও ভারত, দক্ষিণে মুজিবনগর উপজেলা ও ভারত, পূর্বে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলা এবং পশ্চিমে ভারতের অবস্থান। নামকরণ: মুজিবনগরের পূর্ববর্তী নাম ছিল বৈদ্যনাথতলা। ১৯৭...

“ভৈরব! এখন আই.সি.ইউ-তে”

Image
“ ভৈরব ! এখন আই . সি . ইউ - তে ” ভৈরব নামের নদীটি এখন আর নাই বললেই চলে। নদীর পরিবর্তে তাকে এখন ভৈরব আবাদ কেন্দ্র অথবা ভৈরব মডেল টাউন বলতে পারি। এটা বলার মূল কারণ হচ্ছে - যে যার মত করে ভৈরবকে দখল করে চাষাবাদ করছে , যেটুকু অংশে পানি দেখা যেতো সেটাও আজ ভরাট। দিনে দিনে শহরের জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে মানুষ নদীর তীরে তৈরী করছে আবাসস্থল এবং সেটাকে আমরা ‘ ভৈরব মডেল টাউন ’ বলতে পারি অনায়াসে। বাংলাদেশের ছোট্ট জেলা শহর মেহেরপুরকে ঢাকার সাথে তুলনা করতে খুব বেশী দিন সময় লাগবে না। তুলনাটি হবে এমনই - সামান্য বৃষ্টিতেই ঢাকা শহর যেমন পানিতে ডুবে যায় , আমাদের স্বপ্নের মেহেরপুর শহরটির অবস্থাও তাই হবে।  

বলরাম হাড়ি এবং তাঁর জীবনদর্শন সুধীর চক্রবর্তী

Image
মেহেরপুরের মালোপাড়ার বলরাম হাড়ি এবং তাঁর জীবনদর্শন সুধীর চক্রবর্তী যেয়েও আছে থেকেও নাই / তেমনই তুমি আর আমি রে । বলরাম হাড়ি ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল উচ্চবর্ ণের পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর শোষনের বিরুদ্ধে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সনদ ঘোষনা করা হয়। সেই মেহেরপুরেরই এক নিম্নবর্গের শূদ্র পুরুষ তুমুল রুখে দাঁড়িয়েছিলেন উচ্চবর্ণের ব্রাহ্মণ্যবাদীদের শাসনশোষনের বিরুদ্ধে। সময়টা উনিশ শতক। আজকের মেহেরপুর জেলাটি ছিল তৎকালীন অবিভক্ত ভারতের নদীয়া জেলায়। মেহেরপুর জেলার বুক চিরে বইছে ভৈরব নদী। জেলা সদরটি ছোট। পশ্চিমদিকের মালোপাড়া। সেখানে কয়েক ঘর অন্ত্যজ শ্রেণির বাস। তারা অধিকাংশই জাতে হাড়ি। হাড়িদের পেশা ছিল শুয়োর চরানো , কবিরাজী ওষুধ বিক্রি , লাঠিয়ালগিরি কিংবা দারোয়ানী। ১৮২৫ খ্রিষ্টাব্দ। মালোপাড়ায় গোবিন্দ হাড়ি এবং গৌরমণির ঘরে জন্মালেন এক শিশু ; যে শিশুটি কালক্রমে বাংলার লোকধর্মের অন্যতম পুরোধা হয়ে উঠেছিল। শিশুর নাম রাখা হয় বলরাম হাড়ি। জন্মসূত্রে অন্ত্যজ বলেই আজন্ম ব্রাহ্মণ্য শোষন দেখেছে। তাই তাঁর স্পর্শকাতর মনে জন্ম নিয়েছিল প্রচন্ড ব্রাহ্মণ ...